ইউনিয়নের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:
হাওড়কন্যা সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলাধীন ০১ নং বংশীকুন্ডা (উঃ) ইউনিয়ন অবস্থিত। এর পূর্বে তাহিরপুর উপজেলাধীন শ্রীপুর (উঃ) ইউনিয়ন, পশ্চিমে নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলাধীন ৮নং রংছাতী ইউনিয়ন, উত্তরে ভারতের মেঘালয় প্রদেশ দক্ষিণে ২নং বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন অবস্থিত। ইউনিয়নটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে রামসার সাইট ঘোষিত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ও সম্পদে ভরপুর সম্ভবনাময় হাওড় পর্যটন কেন্দ্র “টাংগুয়ার হাওড়” এর দক্ষিণ-পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত। জমিদারী শাসন আমলে এটি একটি পরগনা ছিল এবং আশেপাশের কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে এর কার্যক্রম চলত।
ইউনিয়নের নামকরণ: বংশীকুন্ডা নামটি এসেছে অত্র অঞ্চলের একসময়ের জমিদার বংশী বদন চৌধুরীর নামানুসারে। পূর্বে বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ও বংশীকুন্ডা উত্তর এই দুটি ইউনিয়ন একত্রে বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন ছিল। পরবর্তীতে ইউনিয়নটির সীমানা বড় বিধায় একস্থানে বসে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব না বিধায় এটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। একটি হলো ০১ নং বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন আর অপরটি ০২ নং বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন। প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এই ০১ নং বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন ৩৩টি গ্রাম নিয়ে অবস্থিত। এছাড়াও এই ইউনিয়নের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী “মহিষখলা নদী”। এছাড়াও ছোটবড় ৮ টি বিল, ৪টি খাল, ১টি হাওড় ও ০২টি নদী এবং ৪টি খাল রয়েছে এই ইউনিয়নে। বর্তমান প্রজন্মে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে সচিব মোঃ জালাল উদ্দিন ।এছাড়াও এই ইউনিয়নে রয়েছে অসংখ্য কবি, লেখক, গুনি শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, দাতা, বাউল, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। ইউনিয়নটি হাওড় এবং পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত বিধায় তাদের রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি যথা: ধামাইল, জারী, সারি ও বাউলগান । এই ইউনিয়নে রয়েছে বিভিন্ন অলি আউলিয়ার মাজার শরীফ। রয়েছে ০২টি হাইস্কুল, ১টি দাখিল মাদ্রাসা, ১১ টি সরকারি প্রাথমিক স্কুল ও বিভিন্ন প্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্র। এ ইউনিয়নে রয়েছে বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় রয়েছে গারো, হাজং,বানাই প্রভৃতি।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস